Monday, November 7, 2016

আমার জীবন এর কিছু ভুল

ঘটনার পেছনে থাকে ঘটনা, থাকে নানান কারন, যার বিন্দু পরিমান হলেও প্রভাব থাকে ঘটনাটির বাস্তবায়নে। একারনেই মূল ঘটনার অনেক পেছন থেকে শুরু করছি।

আমি তখন ক্লাস ৮/৯ এ পড়ি। ১৯৯৯ / ২০০০। আমরা ২ ভাই ১ বোন। বড় ভাই আমার থেকে ৩ বছরের বড়। আমার আম্মু, বড় ছেলে হিসেবে, একটু হলেও বেশি আদর করতো ভাইয়াকে। যেটা সেই বয়সে আমার মনে দাগ কেটে যায়। আব্বু সরকারী চাকরীর কারনে তখন ২/৩ বছর পরপর ট্রান্সফাত হতো। তাই আম্মু, ভাইয়া, আমি আর আমার ছোট বোনকে ঢাকায় রেখে , যেখানে পোস্টিং, সেখানেই থাকতো, একা একা। (এখন বুঝতে পারি, সেটা আব্বু আম্মুর জন্য কত বড় স্যাক্রিফাইস মানে বিসর্জন)। তো, আম্মুর ঐ কিছুটা আদরের বৈষম্য আমাকে এতটা কষ্ট দেয়, যে, ধীরে ধীরে আমি নীরব হয়ে যাই। (যেটা আমার জীবনের প্রথম ভুল)। আব্বুকে কিচ্ছু বুঝতে দিতাম না, কারন আব্বু অনেকদিন পরপর আসতো। যাই হোক, ২০০২ এ SSC দিলাম। আর ভাইয়া ২০০১ এ HSC দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য অপেক্ষারত। কোথাও হলো না, শেষ পর্যন্ত আব্বু ভাইয়াকে রংপুর এর একটা প্রাইভেট মেডিকেল কলেজ এ ভর্তি করালো। আমার SSC  এর আরও ৩ টা সাবজেক্ট বাকি আছে। আব্বুর পোস্টিং তখন নীলফামারী। এমতাবস্থায় সিদ্ধান্ত হলো, আমাদের সবাইকে নিয়ে নীলফামারী শিফট করা হবে। কারন, আমাকে জানানো হয়নি।

বিঃদ্রঃ আমাদের ঢাকায় আসা হয় ভাইয়া যখন ক্লাস ৯ এ, তখন। আমরা ছিলাম রাজশাহীতে, আর আমি পড়তাম রাজশাহী কলেজিয়েট স্কুলে, রোল ৯)। সে অবস্থায় আমার মনে হলো, ভাইয়ার ঢাকায় পড়া শেষ, রংপুর এ ভর্তি হলো, এটাই হয়তোবা আমাদের পরিবারের শিফট করার কারন। মনের ভেতর কাটা ঘা এ নুনের ছেটা পড়লো। পরের পরীক্ষা ছিলো ম্যাথ, সাধারন গণিত। আর ভাগ্যক্রমে ২০০২ এ ঢাকা বোর্ড এ সাধারন গণিত এর প্রশ্ন স্মরনকালের সবথেকে কঠিন করা হয়। যার কারনে পরে সবাইকে ৫ গ্রেজ দেওয়া হয়। এত ভাল (!!!) আমার সৌভাগ্য! যাই হোক, পরদিন আমরা রওনা দিলাম। এখনও মনে আছে, বাসে উঠার সময় আমি আমার চোখের পানি ধরে রাখতে পারিনি। মন

Friday, November 4, 2016

ব্যর্থতার স্বপ্ন


জোহান নিজের রুমে দরজা লাগিয়ে দরজার সামনেই বসে আছে। দরজা লাগিয়ে দরজার সামনে বসার কারণ দরজা ভেংগে যদি ঢুকে পরে কেউ, তখন সবাই ওর অবস্থা জেনে যাবে। সেই ভয়েই দরজা লাগিয়ে দরজার সামনেই বসে আছে। ছোটবেলা থেকেও শুনে এসেছে ছেলেদের নাকি কাঁদতে মানা, কিন্তু কেনো মানা অনেক বোঝার চেষ্ট করেছিল ও। তখন হয়তো এর অর্থ খুজে পাইনি। কিন্তু এখন জানে ও ছেলেদের কেনো কাঁদতে মানা। আর তাই এতোদিন নীরব আর্তনাদ করে কান্না চেপে গেছে। আজ আর পারেনি সেই আটকে রাখাকে আটকে রাখতে। তাই রুমের দরজা বন্ধ করেই কাঁদছে ও। কোন শব্দ নেই সেই কান্নায় চোখের পানি ফেলার চেষ্টা করছে সেটাও নেই। তবে কি চেপে রাখা কান্না গুলোও মরে হারিয়ে গেছে কোথাও...